নিঃসঙ্গ নদীছায়া
(শিহাব শাহরিয়ার)
অর্ধ-মৃত পিঁপড়ার মতো শুয়ে থেকে
রাস্তার তে-মাথায় দেখি নিঃসঙ্গ এক নদীছায়াকে
এই নদীছায়া কাকের সাথে মিলেছিল মধ্যরাতের মল্লযুধ্যে
অথচ এই যুদ্ধ হওয়ার কথা ছিল-আমার নাসিকার
সাথে তোমার স্তনের অগ্রভাগের; এরপর মৌসুমের
পরিবর্তনকে মনে হলো-কিশোরীর দুঃসময়; ঋতুস্রাব
ঋতুস্রাব শেষে কিশোরী-নারীরা ওড়না উড়িয়ে দেয় যেন
নক্ষত্রের দিকে। জয় হোক বাঁলিহাঁসের-কারণ তাদের
ঠোঁটে ঠোঁটে ভারী হয়েছিল নদী-স্রোত। অথচ কিনারের
ঘাসগুলি শুধুই সন্ধ্যার নিঃসঙ্গ ডানা। মেঘের মুখে বরফ
এঁকে দিয়ে চলো আমরা হুগলির ঝুলন্ত সেতু হয়ে যাই…
আমি কী পারবো লেবানিজ নারীদের শরীরের সিঁড়ি ভাঙতে?
