poem-je-pathe-aami-eka

যে পথে আমি একা

বেবী সাউ

 

কোনদিকে ভাসাব তাকে 

কোনদিকে লিখবো আজ জল আর বায়ু! 

 

পৃথিবী সুন্দর বলে 

ছলনার দেশে নিয়ে গেলে—

 

অথচ একদিকে লাভা স্রোত 

অন্যদিকে মৃত পরিযায়ী, বহু বহু বৃক্ষচ্ছেদ…

নরম নাভির মাঝে দাউদাউ ক্ষুধার আগুন 

অন্তরের শ্বাস থেকে ওঠে আসে বিষ আর বিষ…

 

মৃত্যুও মহান তবে! 

খাণ্ডব দহন শেষে বুভুক্ষু শ্রমিকদের লাশ খাবে আজও? 

আজও একইভাবে সব ইতিহাস বিকৃত! কলঙ্কিত!

 

আর বারবার 

প্রেমিকের রূপ নিয়ে, ছলনার হাত ধরে 

বিরহের গান এঁকে রাধিকা সাজাবে? 

চিত্রাঙ্গদা নেচে যাবে অঙ্গনের বাঁকে? 

কত কত হত্যালীলা প্রত্যহের খাঁজে, ভাঁজে 

জমা হবে, বলো!

 

এই যুদ্ধক্ষেত্র জুড়ে 

এই ধূলিপথে রক্তের কামড় দাগ দেখে একা হই

 

লোভ আর লোভ…

ঘৃণা আর…

 

পথে পথে মৃত্যু দেখি, 

মুখোশের খুলি দেখি

 

ভাবি, কত কত ভুল পথে 

কত কত মিথ্যের আবেশে 

আমার শৈশব গেল!

কৈশোরের মোহ গেল!

বিরহ বিচ্ছেদে মুছে গেল চোখ-জল!

 

সকালের রোদ দেখে 

একেকটি প্রতীকের মতো 

তাও দেখো, ভুলভাল কত কিছু

 

পথ ভেবে বসি আজও ঠাকুর তোমাকে! 

 

ডোম শুধু একা 

পোড়া কাঠ, ছাই-ভস্ম

হত্যার নিষিদ্ধ ফ্রেমে

 

নিজেকেই রোজ রোজ আয়ুযুক্ত করে

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *