আশৌচ
চন্দ্রাণী গোস্বামী
বহুদিন ধরে এই এগারো দিন বয়ে চলেছি। তোমায় বলিনি।
প্রতিবেশী রাত আজকাল আতপভাত খেতে চায় না। হাত পা ছোঁড়ে। ঔপনিবেশিক ভয় চেপে ধরে। অন্য খাবার রান্না
করতে গিয়েও উনুনে জল ঢেলে গরম কড়াই নামিয়ে রেখেছি।
কী লাভ ওসব খেয়ে! বিধবা চাদর টেনে ঘুমিয়ে থাকি। তুমি আমার স্বপ্নের ভেতর এসে পিণ্ড খেয়ে যাও রোজ।
কবিতায়, অথচ, মধ্যবয়সী তুমি এলে
তিরিক্ষি স্বভাবে হাত তুলে হুশ হুশ করি।
সহোদর
কেউই পাখি নয়। সহজাত আনন্দরূপ কেউ জানে না।
তবুও,
একটি গাছজীবন। অনেকগুলো আকর্ষ। মাধ্যাকর্ষণের মাঝে হাত ঝুলিয়ে বেঁধে রাখে।
তথাপি মাটিতে একটা বীজপত্র থেকে আমাদের জন্ম হলো।
পুষ্টি, সন্তুষ্টি, নীল আকাশ ও গোলাপি ডানায় কবে আমরা হাত রাখব একত্রে!
কানাই
কতকাল। কত সহস্র বছর
যেন বান্ধুলির ফুল। অশ্রু নদী। চার কাহার কাঁধে অনন্ত পথ
চলে যাচ্ছে… চলেই যাচ্ছে…
গত বছরে প্রকাশিত তোমার বই
যেন গুরুপূর্ণিমার আলো, ফিরিয়ে দিচ্ছে পারাপার, বৈঠা, ইহকাল পরকাল
যেন বাঁশি
যেন আমার মৃত্যুরোধিক প্রেমিক, আমি তার কলস্বরা শরীর…
প্রেমিক
ভালোবাসি, সন্তনসম
প্রাণের আয়োজনে মুখে ধরতেও পারি স্তন
যেন উৎসর্গ করতেই পারি বেলপাতা
আবার ইচ্ছেস্রাব —
এতটা সাদা হয়ে ভাবলেই
অসূয়া বা রিরংসা —- দুটোই দুই হাতে নিয়ে নিই
